প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর রাত ১০টার দিকে তরিকুল সুজনসহ আরও অনেকে শহীদ মিনারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন

  প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর রাত ১০টার দিকে তরিকুল সুজনসহ আরও অনেকে শহীদ মিনারের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় পুলিশ। তরিকুল সুজন এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে পুলিশ তাঁকে গালমন্দ করে। একপর্যায়ে পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে তরিকুলকে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে অনলাইন পত্রিকা ‘নিউজ নারায়ণগঞ্জ’–এর সাংবাদিক সোহেল রানার মুঠোফোন কেড়ে নেয় পুলিশ।

তরিকুল প্রথম আলোকে বলেন, অনুষ্ঠান শেষে তিনি ও স্থানীয় সাংবাদিক সোহেল রানা শহীদ মিনারের উত্তর পাশে দাঁড়িয়ে নাশতা করছিলেন। এ সময় পুলিশের কয়েকজন সদস্য এসে তাঁদের গালিগালাজ করে শহীদ মিনার থেকে দ্রুত বের হওয়ার নির্দেশ দেন। ওই পুলিশ সদস্যদের হাতে বাঁশের লাঠি ছিল এবং তাঁরা মারমুখী ছিলেন। তাঁদের এ আচরণের প্রতিবাদ জানালে এক পুলিশ সদস্য তাঁকে বাঁশ দিয়ে মারতে উদ্যত হন। তবে শহীদ মিনারে অবস্থানের বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। আর সেখানে তাঁরা কোনো অপরাধমূলক কাজও করছিলেন না। এরপরও পুলিশের এমন আচরণের প্রতিবাদ জানালে পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে গালিগালাজ করে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে দেড়ঘণ্টা থানায় আটক রেখে মুচলেকা নিয়ে দিবাগত রাত একটার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেয়।





Comments